সংগঠন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম | Best Guide -2023

সংগঠন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

সংগঠন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম জানা থাকাটা জরুরী।  বিশেষ করে যারা নতুন সংগঠন শুরু করেছেন বা শুরু করতে যাচ্ছেন।

সংগঠন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

সংগঠন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

প্রিয় পাঠন আসসালামু আলাইকুম, আশা করি আপনার ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজ আমরা শিখতে যাচ্ছি কিভাবে সংগঠন, সোসাইটি, সমিতি, ফাউন্ডেশন ও ট্রাস্ট এরজন্য রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়।

তো চলুন আর দেরি না করে মুল আলোচনায় চলে যাই। 

 সংগঠন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

সংগঠন নিবন্ধন করার নিয়ম
সংগঠন নিবন্ধন করার নিয়ম

বন্দুরা শুরুতেই একটি বিষয় ক্লিয়ার করে যাই। যাহাতে পরবর্তী বিষয়গুলো বুঝতে আপনাদের সহজ হয়। বিষয়টি হলো-

 সমিতি রেজিস্ট্রেশন, সোসাইটি নিবন্ধন , সংগঠন রেজিস্ট্রেশন, ফাউন্ডেশন নিবন্ধন,  ট্রাস্ট রেজিস্ট্রেশন। আপনি যেটাই রেজিস্ট্রেশন করেন না কেনো।  সবগুলোর প্রায় একই নিয়মে নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন করতে হয়।

তবে ট্রাস্ট রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন এর ক্ষেত্রে একটু আলাদা শর্ত মানতে হবে। তা হলো-

  •   ট্রাস্ট রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য ট্রাস্টের  নামে জমি হস্তান্তর করতে হবে।
  •   ট্রাস্টি নিয়োগ করতে হবে।
  •  ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করতে 

এছাড়াও আরও কিছু বিষয়াদি রয়েছে। যাইহোক, আজকে আমরা আর ঐদিকে যাচ্ছি না।

সংগঠন, সমিতি বা ফাউন্ডেশন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মূলত চেরিটেবল পারপাসে গঠন করা হয়। আবার অনেক সময় দেখতে পাই মৃত ব্যক্তির নামেও সংগঠন, সমিতি বা ফাউন্ডেশন করা হয়। এটা দোষের কিছুই নেই। যেমন- আশিক ফাউন্ডেশন, নিশী সমিতি ইত্যাদি রং বে-রঙ্গের নাম।

এসকল সংগঠন, বেশীর ভাগ সময়েই গঠন করা হয় মানব কল্যানে। যে খানে থাকে না কোন লাভের অংশ, এক কথায় অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। থাকেনস রাজনৈতিক ফায়দা। কেমলমাত্র, সমাজের জুলুম নিপিড়ীত মানুষের পাশে দাড়ায়। অসহায় দুস্ত মানেষের সেবা করে। 

আরও পড়ুন… সামাজিক সংগঠনের কমিটি গঠনের নিয়ম

 

সমাজের অপকর্ম, মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারী।  বাল্য বিবাহ, শিশুশ্রম ইত্যাদি নিষিদ্ধ অপকর্মকে প্রতিহতো করে। সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আগে এই সকল সংগঠন। যা সমাজের পাশাপাশি রাষ্ট্রও অনেক উপকৃত হয়ে থাকে। 

যাইহোক, এগুলি বলার কারন হলো,  এই সকল কাজকর্ম করার পূর্বে অবশ্যই সংগঠন নিবন্ধন করতে হয়। আপনি যদি সংগঠন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম সম্পর্কে নাই জানেন। তাহলে ঐ সকল স্বপ্ন, স্বপ্নই রয়ে যাবে। আর বাস্তবায়ন হবে না।

আমি আপনাকে ছোট্ট করছি না। আমি বলতে চাচ্ছি আপনাকে কোন না কোন মাধ্যম থেকে রেজিষ্ট্রেশন এর বিষয়টি জানতেই হবে। তাই দালাল চক্রের হাতে পরার পূর্বে জানাটা অতি জরুরী।  পোস্টটি পূরো পড়লে আপনি অনেক উপকৃত হতে পারবেন “ইনশাআল্লাহ”।

সংগঠন নিবন্ধন করার মাধ্যম

বাংলাদেশে দুটি মাধ্যমে আপনার সোসাইটি, সমিতি, ফাউন্ডেশন বা সংগঠন রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন। মাধ্যম দুটি হলো-

  1. সমাজ সেবা অধিদপ্তর।
  2. রেজিস্টার অফ জয়েন্ট স্টক

আপনাকে আর একটু সহজ করে বলছি। আপনি যদি শুধুমাত্র আপনার জেলায় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আালাতে চান। কিংবা আসেপাশের ২/১ টা জেলায় কার্যক্রম চালাতে চান। তাহলে আপনি আপনার জেলার সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে রেজিষ্ট্রেশন করাতে পারবেন।

আর যদি দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরে কার্যক্রম চালাতে জান। কিংবা ভিন্ন দেচ থেকে সাহায্য সহযোগিতা, কল্যান তহবিল নিয়ে আসার পরিকল্পনা থাকে। তবে আপনি সমাজসেবা অধিদপ্তর কিংবা জয়েন্ট স্টক থেকে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন না। আপনাকে যেতে হবে “আরজেএসসি”- তে

সংগঠন রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া প্রায় একই রকম। শুধু খরচের দিক বিবেচনায় “আরজেএসসি” -তে একটু বেশি। তবে কার্যক্রম পরিচালনার দিক বিবেচনা করলে, তেমন একটা বেশি মনে হয় না।

সংগঠন নিবন্ধন করার নিয়মঃ

সংগঠন নিবন্ধন করার নিয়ম
সংগঠন নিবন্ধন করার নিয়ম

সমাজসেবা অধিদপ্তর সাধারণত নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ- ১৯৬১ইং এবং সংশ্লিষ্ট বিধি- ১৯৬২ এর আওতায়। সংগঠন, সমিতি, ফাউন্ডেশন ইত্যাদি সহ মোট ১৫ টি সমাজ কল্যান ও সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানের রেজিষ্ট্রেশন বা নিবন্ধন দিয়ে থাকেন।

১. প্রথমেই আপনার প্রতিষ্ঠানের নামের ছাড়পত্র নিতে হবে। নামটি ইউনিক নাকি ইতিপূর্বে আপনার দেয়া নামটির হুবহু নাম রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছে। তা যাচাইকরে এই ছাড়পত্রটি দেয়া হয়।

২. আবেদন ফি হিসেবে, তাদের দেয়া নির্দিষ্ট কোড নাম্বারে ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে ব্যংকে জমা দিতে হবে।

৩. আবেদনপত্র সঠিকভাবে পূরণ করে জমা দিতে হবে।

আবেদন পত্রের সাথে যা যা লাগবেঃ

১. আপনার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের পাসপোর্ট সাইজের ৩ কপি ছবি।

২. প্রাথমিক ভাবে সাধারণ সভায় নাম নির্ধারণ করার, সকল ডকুমেন্টস এর ফটোকপি।

৩. প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্রের (বাংলা) ফটোকপি।

৪. প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক সাধারণ সদস্যদের ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী নাম, পিতার-নাম, মাতার-নাম, পেশা, স্থায়ী

     ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হবে। এবং  বর্তমান ঠিকানা সহ নিজ হাতে স্বাক্ষরযুক্ত ফরমের ফটোকপি। 

৫. সংগঠনের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচী লিপিবদ্ধের ফটোকপি।

 

আরও পড়ুন >>> ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ট্যাবলেট এর উপকারিতা

 

৬. সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাবের বিবরণের ফটোকপি। 

৭. সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ের জমির দলিলপত্র। যদি না থাকে তাহলে ১৫০ টাকার ষ্টাম্পে ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।

৮. স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার অথবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান -এর সুপারিশপত্রের ফটোকপি।

এসকল প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় টুকিটাকি কাগজপত্র। অধিদপ্তের নির্ধারিত ফরম্যাটে প্রস্তুত করে জমা দিতে হবে।

৯. সমবায় অধিদপ্তরের প্রয়োজন অনুযায়ী, সংগঠনের জাবতীয় ডকুমেন্টস আবেদন করার ৩০ দিন থেকে ৬০ দিন সময়ের মধ্যে রেজিষ্ট্রেশন পেপার পেয়ে যাবেন।

আরজেএসসি থেকে ফাউন্ডেশন নিবন্ধন করার নিয়মঃ

আরজেএসসি থেকে ফাউন্ডেশন নিবন্ধন এ্যাক্ট- ১৮৬০ এবং অন্যান্য (SRO)- আইন ও বিধি অনুযায়ী সংগঠন ও ফাউন্ডেশন নিবন্ধন দিয়ে মূলত ৫ টি ধাপে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

১. কোম্পানির নামের ছাড়পত্রঃ

আসলে সমিতি, সংগঠন, ফাউন্ডেশন নিবন্ধন সহ অন্যাণ্য যে কোন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের জন্য। ১ম প্রক্রিয়াই হলো নামের ছাড়পত্র নেয়া।

ছাড়পত্র নেয়ার মূল কারন হলো। এই নামটিতে ইতিপূর্বে কোন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করা হয়েছে কিনা। তা যাচাই বাচাই করার জন্যই এটা করা হয়। এক কথায় আপনার প্রতিষ্ঠানের নামটি ইউনিক কিনা তা যাচাই করা হয়।

আপনার প্রতিষ্ঠানের নামের ছাড়পত্র বা যাচাই করতে হলে- ফি দিতে হবে ১০০০/-(এক হাজার) টাকা। ফির সাথে ভ্যাট১৫%.  অর্থাৎ ১৫০ টাকা দিতে হবে। মোট কথা বর্তমানে নামের ছাড়পত্র নিতে সর্বসাকুল্যে ১১৫০ জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে আরও কমবেশি হতে পারে।

২. ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্র প্রস্তুতঃ

ছাড়পত্র পাওয়ার পরে আপনার ২য় কাজ হলো- আপনার ইসলামী সংগঠনের গঠনতন্ত্র বা ফাউন্ডেশন গঠনতন্ত্র প্রস্তত করা।

ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্র প্রস্তুত
ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্র প্রস্তুত

গঠনতন্ত্র বলতে, আপনি কোন কোন নিয়মে সংগঠন বা ফাউন্ডেশন পরিচালনা করতে চান। আপনাদের আগামী মীশন-ভিশন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য কি। এসকল বিষয় একটি একটি লিখিতো ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে।

এই ২য় অপশনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভেবে চিন্তে বুঝে শুনে আপনার গঠনতন্ত্র তৈরি করতে হবে। 

বিশেষ করে  ফাউন্ডেশন এর বাৎসরিক “ইজিএম” এর দিন তারিখ সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে। সংগঠনের  “কোরাম” কতজন তা নির্বাচন করতে হবে। এবং ফাউন্ডেশন এর “উইন্ডিং-আপ” কিভাবে করতে চান? তার সুস্পষ্ট বর্ননা দিতে হবে।

একটি সংগঠন বা ফাউন্ডেশন রেজিষ্ট্রেশন করতে কমপক্ষে সাত (০৭) জন সদস্য বাধ্যতামূলক থাকতেই হবে। সাত জন এর কম হলে নিবন্ধন বাতিল হবে। তবে এর বেশি হলে কোন সমস্যা নেই। উল্ল্যেক্ষিতো বিষয় সম্পূর্ন করার পাশাপাশি আরও ছোটখাটো অনেক সমসাময়িক বিষয় এর সাথে যুক্ত করতে হবে। যা জানার জন্য সরাসরি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করলে জানতে পারবেন।

আরও পড়ুন >>> ভিটামিন বি জাতীয় খাবার তালিকা

তবে আমি একটি পরামর্শ দিতে পারি- যেহেতু বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত এর সাথে যুক্ত করতে হবে। এবং আপনার যদি এই বিষয় তেমন কোন ধারনা না থাকে। কিংবা করতে ও বুঝতে সমস্যা হয়। তাহলে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রেডি করার জন্য একজন বিজ্ঞ আইনজীবীদের স্মরনাপর্ন হয়ে, আইনজীবীদের মাধ্যমে কাজটি সম্পর্ণ করাটাই ভালো হব (.আর জে এস সি)। 

৩. সমবায় সমিতি নিবন্ধন ফি জমাঃ

আপনার যে কোন প্রতিষ্ঠান বা সমবায় সমিতি নিবন্ধন ফি মাত্র দশহাজার (১০,০০০) টাকা + ফাইলিং ফি চারশত (৪০০) টাকা + ডিজিটাল সার্টিফিকেট ফি + একহাজার (১০০০) টাকা মাত্র। এই সকল বিলের সাথে ১৫% ভ্যাট অবশ্যই দিতে হবে। জমা দেয়ার জন্য তারা একটি নির্দিষ্ট কোড নাম্বার দিবে। সেই কোর্ড নাম্বারে ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

ফি জমা দেয়ার রশিদ, নামের ছাড়পত্র, গঠনতন্ত্রের সিট। এবং আরও টুকিটাকি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে R 

তবে আর একটি কথা পরিস্কার করে দেই। এই সমস্ত ফি আর ভ্যাট কিন্তু পরিবর্তনশীল। আমি বর্তমান খরচের কথা বলছি। আমরদ জানি প্রতি বছর সব কিছুর দাম বাড়ে। তেলের দাম বারে। ভ্যাট টেক্সও বাড়ে। তাই এই খরচ সমসময় একই রকম থাকবে না। পরিবর্তন হবেই।

৪. সংগঠনের তদন্ত রিপোর্টঃ       

উপরের কাজগুলো তথা- সমস্ত ফি, ভ্যাট, নামের ছাড়পত্র, গঠনতন্ত্র সহ সমস্ত তথ্য ও ডকুমেন্টস জমা দেয়ার পরে অপেক্ষার পালা। সবকিছু সঠিক ভাবে সম্পন্ন হলে তদন্তের জন্য (NSI) বরাবর চিঠি পাঠাবে (RJSC).

পর্যায়ক্রমে আপনার ফাউন্ডেশন বা প্রতিষ্ঠানের সকল সদস্য এবং উদ্যোগতাদের সাথে যোগাযোগ করবে (NSI). আপনার দেয়া ডকুমেন্টস এর উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন তথ্য নিয়ে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করবে। তদন্ত শেষ করে সকল রিপোর্ট জমা দিবে (RJSC) এর দপ্তরে।

৫. নিবন্ধন অনুমোদন কার্যকরঃ

প্রতিষ্ঠানের সকল সদস্য ও উদ্যোগতাদের তথ্য যাচাই করে ফলাফল যদি আশানুরূপ হয়। তাহলে (NSI) আরজেএসসিকে পজিটিভ রিপোর্ট দিবে। আরজেএসসি পজিটিভ রিপোর্ট পেলেই আপনার প্রতিষ্ঠান অনুমোদন পাওয়ার জন্য প্রস্তুত।

তাই অনুমোদন এর কাজ সম্পন্ন করবে এবং  সার্টিফিকেট অফ ইনকরপরেশন আপনার ফাউন্ডেশন এর নামটি ইস্যু করবে। সার্টিফিকেট অফ ইন-করপরেশন নাম ইস্যু করার মানে হলো- আপনি প্রকাশ্যে আপনার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করার বৈধতা পেলেন।

সামাজিক সংগঠন নিবন্ধন ফরম

নিবন্ধন ফরম ডাউনলোড করার জন্য। আপনি সরাসরি এই লিংক থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। যদি আপনি প্রয়োজন মনে করেন।

শেষ কথাঃ বন্দুরা আশাকরি আজকে আপনারা সংগঠন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম এবং সংগঠন নিবন্ধন করার নিয়ম শিখে গেছেন। এবং একই সাথে আপনাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সামাজিক সংগঠন নিবন্ধন ফরম ডাউনলোড করার লিংকও দিয়ে দিয়েছি। পূরো ব্লগের কোথাও কিছু বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাবেন। ইনশাআল্লাহ সমাধান করার চেষ্টা করবো। “আল্লাহ হাফেজ”।

 

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাহিলে,  এই লিংকে ক্লিক করুন।

আমাদের সম্পর্কে জানতে, এই লিংকে ক্লিক করুন।

 

 

3 Comments on “সংগঠন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম | Best Guide -2023”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *