ক্যালসিয়ামের উপকারিতা – amazing ক্যালসিয়া সমৃদ্ধ খাবার কি কি attractive2024

ক্যালসিয়ামের উপকারিতা

ক্যালসিয়ামের উপকারিতা সম্পর্কে বলতে গেলে এর শুরু করা যাবে কিন্তু শেষ করা যাবে না।

ক্যালসিয়ামের উপকারিতা
ক্যালসিয়ামের উপকারিতা

আমাদের শরীরের প্রতিটা লোমের সাথে মিশে আছে ক্যালডিয়াম। পা থেকে মাথা পর্যন্তই ক্যালসিয়ামের উপস্থিতি রয়েছে।

যাইহোক, আমরা খুবই সংক্ষেপে ক্যালসিয়ামের উপকারীতা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছি। যাহাতে আপনারা এর সম্পর্কে একটি পরিস্কার ধারনা পেতে পারেন।

আপনি নিম্ন লিখিত খাবারগুলি মেনুতে অন্তর্ভুক্ত করে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে পারেন।

Table of Contents

ক্যালসিয়ামের উপকারিতা

ক্যালসিয়াম আমাদের শরীরের জন্য অনেকগুলি উপকারিতা রয়েছে। যা জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবে।

নিচে আমরা ধারাবাহিক ভাবে এর উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করলামঃ

দাঁত এবং হাড়ের সুরক্ষা:

   ক্যালসিয়াম দাঁত এবং হাড়ের সুরক্ষা উন্নত করে। যা দাঁতের ও হাড়ের  ক্ষয় রোধ করে। এবং তাদের দুর্বলতা ও ভাঙ্গন কমিয়ে দেয়। আপনি যদি দাঁত ও হাড়ের ভাঙ্গন ও ক্ষয় রোধ করতে চান, তাহলে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান।

মাংসপেশী কাজের কার্যকারিতা বাড়ায়:

  ক্যালসিয়াম মাংসপেশীর কাজের কার্যকারিতা বজায় রাখে। এবং মাংসপেশী সেল উন্নত করতে সহায়তা করে।

হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখেঃ

মানুষ ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার খেলে তার  হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখে। যা আপনার শরীরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। এমন কি হৃদরোগ থেকেও আপনাকে সুরক্ষা রাখতে পারে।

রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করেঃ

 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যালসিয়াম এর বিকল্প নেই। যদি শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে চান এবং রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান। তাহলে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার

ক্যালসিয়া সমৃদ্ধ খাবার কি কি 

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার অনেক ধরনের খাদ্যপণ্যে পাওয়া যায়।  তবে ক্যালসিয়াম সাধারণত দুধ এবং দুগ্ধজাত খাদ্য পণ্যে পর্যাপ্ত পরিমানে পাওয়া যায়।

ক্যালসিয়ামের উপকারিতা
ক্যালসিয়ামের উপকারিতা

একটি সমৃদ্ধ ক্যালসিয়াম সোর্স হিসেবে দুধ, দই, চিজ, পনির, ওয়ালনাট, ব্রোকোলি, ক্যালসিয়াম ফর্টিফাইড জুস, সুসজ্জিত খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।

 এছাড়াও অত্যন্ত মাংসপেশী যেমন মাছ এবং শাঁকসবজি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার তালিকায় রাখা যেতে পারে।

কিছু  উচ্চ ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার মধ্যে রয়েছেঃ

দুধ এবং দুধ পণ্যঃ

  দুধ এবং দুধ পণ্য থেকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে  দুধ, দই, ছানা, স্কিমড দুধ, ছানার দই, সোর্বে, পনির ইত্যাদি। এই সব দুগ্ধজাত খাদ্যে ক্যালসিয়াম অনেক বেশি পাওয়া করে।

মাছঃ

 এমন কিছু মাছ রয়েছে, যাহাতে অধিকতর ক্যালসুয়াম পাওয়া যায়। যেমন সার্ডিন, সালমন, ম্যাকারেল, ও কোহো ম্যাকারেল মাছে অধিক পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে বলে ধারণ পাওয়া যায়।

শাক-সবজি

    অবাক হওয়া কোন কারন নেই। কেননা, শাক-সবজি থেকেও অনেক ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। আপনার যানা না থাকলে আজই নতুন করে শুনে রাকুন। এবং মনে রাখুন যেনো আর কখনো না ভুলেন।

 Read More: কোন ভিটামিনের অভাবে শরীর কাপে

সবজির ভিতরে রয়েছে, যেমন- কোলার্ড গ্রীনস, স্পিনাচ, কলার্ড, ব্রোকলি, ইত্যাদি শাক-সবজিতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। 

 যা দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা পুরন করতে স্বক্ষম।

পনির এবং ছানা 

 পনির এবং ছানা এগুলো অবশ্যই দুগ্ধজাত খাদ্য। তবে এতে রয়েছে ভরপূর ক্যালসিয়ামের উপস্থিতি। পনিরে প্রায় ৩ শত গ্রাম পরিমান ক্যালসিয়া তৈরি করে।

শুঁটকি মাছ

শুঁটকি মাছ ক্যালসিয়াম তৈরির আরেকটি অন্যতম উৎস। যেমন সার্ডিন, হিঙ্গ, আঙ্গুলী এবং শাঁপলা মাছের শুঁটকি ক্যালসিয়ামে তৈরিতে বেশ ভালোই অবধান রাখে।

কিশমিশ এবং খোবানিঃ

  কিশমিশ হলো একটি মিষ্টি খাবার। এতে রয়েছে ক্যালসিয়ামের উপস্থিতি।  এবং খোবানি ফলটি দেখতে অনেকটা ডুমুরের মতো। এটাও বেশ মিষ্টি ফল। খোবানি ও কিশমিশ আপনি ক্যালসিয়াম হিসাবে খাবারে রাকলে ভালো হয়। কেননা, এদুটি মিষ্টি ফলে ক্যালসিয়াম অধিক পরিমাণে রয়েছে।

বাদামঃ

প্রায় সকল ধরনের বাদামে রয়েছে অধিক ক্যালসিয়াম। প্রতিদিন নিয়ম করে কম বেশি বাদাম খেতে পারেন। চিনা বাদাম, কাঠা বাদাম, কাজুবাদাম সহ সকল ধরনের বাদাম থেকেই ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।

সয়াবিনঃ

আমরা খাবারে তপল হিসেবে সয়াবিন ব্যবহার করে থাকি। তবে অনেকেই জানিনা সয়াবিনে যে অনেক ক্যালসিয়াম রয়েছে। 

তবে যেনে রাখা উচিৎ – সয়াবিন তেলে অনেক ফ্যাট রয়েছে, যা অনেকের শরীরের জন্য মানানসই না। তবে স্বীকার করতে হবে সয়াবিন থেকেও অনেকাংশেই ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। সাথে ভিটামিন তো রয়েছে অনেক।

শাক-সবজিঃ

   বন্দুরা এমনো কিছু শাক-সবজি রয়েছে, যাহাতে অনেক অনেক ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে কয়েকটি শাক-সবজি  যেমন কলারিয়া, স্পিনাচ, পালন শাক ইত্যাদি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্যের একটি ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।

তিল

   আপনি কি জানেন, তিলের ভিতরেও ক্যালসিয়াম থাকতে পারে? না জানলে জেনে রাখুন তিলের মধ্যেও রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমানে ক্যালসিয়াম। 

তিলের খাঁজা, তিল ভর্তা, তিলের পিঠা, তিলের তেল। যেভাবেই আপনি সেবন করেনা কেনো।  এই তিল আপনার দেহে ক্যালসিয়াম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

গাজরঃ

গাজর থেকে ভিটামিন, আয়রণ, মিনারের এর পাশাপাশি ক্যালসিয়ামের উপস্থিত রয়েছে। প্রতিদিন একটি করে গাজর খান। তাহলে শরীর সতেজ হয়ে যাবে। জাদুকরী উপাদান রয়েছে এই গাজরে।

পালন শাঁকঃ

 মামা পালন শাঁখের কথা নতুন করে পলার কিছু নেই। অনেক অনেক উপকারী উপাদান রয়েছে এই সর্গিয় পালন শাঁকে। বেশি বেশি পালন শাক খান। আর বুদ্ধি পারান। বেরেইনের পানি সঞ্চলনের জন্য পালন শাঁকের তাত্পর্য চোখে পরার মতো।

ডুমুর

মিনারের ও ফাইবারের পাশাপাশি কয়ালসিয়ামও থাকে এই ডুমুরে। এতে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের বড়বড় ব্যাকটেরিয়া ও ক্ষত দূর করতে পারে। এক কথায় ডুমুর এন্টিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে।

কেন আপনার ক্যালসিয়াম প্রয়োজন

ক্যালসিয়াম আমাদের শরীরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মিনারেল পদার্থ।  যা প্রাথমিকভাবে আমাদের দাঁত, হাড়, হৃদপিণ্ড, পেশী সহ শরীরের অন্যান্য স্থানকে শক্ত মজবুত করে। অনেক সমস্যার সমাধান  দিয়ে থাকে। দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় রোধের পাশাপাশি এট উন্নতি করতে সাহায্য করে।

দাঁত এবং হাড়ের গুণমান উন্নত করতেঃ

  সত্যি কথা বলতে,  ক্যালসিয়াম মূলত দাঁত এবং হাড়ের প্রধান সামগ্রী বলা যেতে পারে। এটি দাঁত ও হাড়কে শক্ত করতে সাহায্য করে এবং এগুলির গুণমান বৃদ্ধি করতে কার্যকরী কাজ করে।

হৃৎপিণ্ডে প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরন করেঃ

   এটি  হৃৎপিণ্ড প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরন করে। পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো  রাখতে সাহায্য করে।

পেশী কার্যকারিতা বৃদ্ধি করেঃ

  পেশীর কার্যকারিতা  বজায় রাখতে সাহায্য করে। মাংসপেশীর স্বাভাবিক গঠন ঠিক রাখে। একইভাবে এর কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

ক্লান্তি ভাব দূর করে।

   সারাদিন কাজ করার পরে শরীরে যে ক্লান্তি আসে, তা দূর করে। এমনকি মাঝে মাঝে শরীর এতোটাই দূর্বল হয়ে যায় যে, মনেহয় কোন কাজ কর্মই ভালো লাগেনা। এরকম সমস্যার সমাধান দেয় এই  ক্যালসিয়াম। যা আমাদের স্নায়ুর প্রেরণার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

হরমোনাল সমস্যা দূর করেঃ

 হরমন শক্তি বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়ামের বিকল্প কিছু আছ বলে আমার মনে হয় না। কেননা ক্যালসিয়ামের মাধ্যমে হরমোন শক্তি অনেকাংশেই বৃদ্ধি পায়। যাহাতে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য অনেকটাই ভালো থাকে।

রক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করে

কোন কারনে অকারে আপনি যখন আঘাত প্রাপ্ত হন। এবং শরীর র থেকে রক্ত প্রবাহিত হয়। তখন একটু খেয়াল করবেন কোন কারন ছাড়াই রক্ত জমাট বেধে আপনার ক্ষত আটকে যায়। এবং রক্ত পরা বন্ধ হয়। এটা কেনো হয় জানেন?

যখনই রক্ত নির্গত হয়, তখনি ক্যালসিয়াম নির্গত হতে থাকে। আর এই ক্যালসিয়ামই আপনার রক্ত জমাট বাধতে এবং ক্ষত বন্ধ করতে কাজ করে। 

যদি রক্তের সাথে ক্যালসিয়াম বের না হতো। তাহলে কখনোই আরপনার ক্ষত বন্ধ হতো না। অনবরত রক্ত বের হতেই থাকতো।

এখন বলতে পারেন- একটু বেশি কাটলেতো রক্ত বের হতেই থাকে। কোন ভাবেই বন্ধ হয়না। যতক্ষণ না কোন প্রাথমিক চিকিৎসা না নেই। হ্যাঁ, আপনার কথা যুক্তি সংগতো। 

তবে এটাও ক্লিয়ার করে দেই। আপনি যখন দেখবেন রক্তের পরিমান এতোরাই নির্গত হয়। যা ক্যালসিয়ামের মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত।  ঠিক সে সময়েই অর্গানিক ভাবে বন্ধ করা সম্ভব না। যে কারনে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থাকি। আশাকরি এখন ক্লিয়ার বুঝতে পসরছেন।

এই সকল কারণেই, আমাদের জন্য সঠিক সময়ে সঠিকপরিমাণে ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। তাইতো বলি আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ঘরোয়া ভাবেই এসকল খাবার খেতে পারেন। যার পার্শ-প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। 

আমাদের শরীরের কতটুকু ক্যালসিয়াম প্রয়োজন

বিভিন্ন বয়স, লিঙ্গ, এবং অন্যান্য ফ্যাক্টরগুলির উপর নির্ভর করে, আমাদের শরীরের ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয় পরিমাণ নির্ভর করে। 

ক্যালসিয়ামের উপকারিতা
ক্যালসিয়ামের উপকারিতা

সাধারণত, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১,০০০ মিলিগ্রাম থেকে ১,২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হতে পারে।  আমি আবারও বলছি ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা আপনার বয়সের উপরে নির্ভর করে। আপনি কি পরিমান পরিশ্রম করেন তার ওপরে নির্ভর করে। 

তাই আপনার শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য, কতটুকু পরিমান ক্যালসিয়াম দরকার। তা জানার জন্য। একজন ডাক্তারের সাথে আলোচনা করা উচিত, যাতে তিনি আপনার শারীরের অবস্থা, স্বাস্থ্য অবস্থা এবং কর্মের উপরে ভিত্তি করে। সঠিক পরিমাপে ক্যালসিয়াম এর মাত্রা ঠিকমকরতে পারে। 

যেনে রাখা ভালো যে, অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো না। তাই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালসিয়াম সেবন করলে। উপকারের চেয়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। 

শিশুদের শরীরের কতটুকু ক্যালসিয়াম প্রয়োজন

শিশুদের জন্য ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয় পরিমাণ, প্রতি দিন প্রায় ৬০০ মিলিগ্রাম থেকে ১,০০০ মিলিগ্রাম এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। 

এই পরিমান ক্যালসিয়াম শিশুদের মাংসপেশী ও হাড় বৃদ্ধির জন্য মুখ্য ভূমিকা পালন করে। এবং হাড়কে শক্ত-পোক্ত করতে দারুন সাহায্য করে।

মধ্যবয়সীদের জন্য কতটুকু ক্যালসিয়াম প্রয়োজন

যৌবন বয়স কিংবা  মাধ্যমিক বয়সের পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য ক্যালসিয়ামের একটি নির্দিষ্ট পরিমানের মাপকাঠি রয়েছে।

তবে এটার পরিমাণ প্রতি দিন প্রায় ১,০০০ মিলিগ্রাম হতে ১,২০০ মিলিগ্রাম এর মধ্যেই হয়ে থাকে।

গর্ভকালীন মহিলাদের জন্য কতটুকু ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন

গর্ভকালীন মহিলাদের জন্য ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয় পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পায়। কেননা পেটের বাচ্চা দিন দিন বড় হয়, তাই এটার পরিমাণও বাঁড়তে থাকে। 

তবে প্রায় ১,০০০ মিলিগ্রাম থেকে ১,৩০০ মিলিগ্রামের মধ্যেই সাধারণত সীমাবদ্ধ থাকে। গর্ভকালীন অবস্থায়, মা এবং শিশু উভয়ের স্বাস্থ্যকে সুরক্ষিত রাখতে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা অনেক। 

বালক-বালিকাদের জন্য ক্যালসিয়ামের পরিমান

বালক-বালিকাদের জন্য দৈনিক ক্যালসিয়ামের পরিমান প্রায় এক হাজার মিঃ গ্রাঃ থেকে   ১২ শত মিলিগ্রাম। এদের ক্ষেত্রে কিছুটা কম বেশি হতে পারে। 

ক্যালসিয়ামের উপকারিতা
ক্যালসিয়ামের উপকারিতা

এই সমস্ত পরিমাণ হলো সাারন ভাবে নির্ণয় করা। আমি বলছিনা যে, এটাই একুরেট পরিমানে পরিমাপ করা হয়েছে।  এই পরিমাত কেবল ধারনা মাত্র।

 আপনার স্বাস্থ্য অবস্থা, বয়স, লিঙ্গ, পরিশ্রম সহ অন্যান্য কারনের উপর নির্ভর করে এর মাত্রা পরিবর্তিত হতে পারে। 

 See More : সাত দিনে মোটা হওয়ার উপায়

সব থেকে ভালো হয় একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করলে। কেননা একজন চিকিৎসক, আপনার সাথে কথা বলবে। আপনার সমস্ত কথা শুনার পরে, প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষা নীরিক্ষা করে। আপনার জন্য নির্দিষ্ট পরিমানে ক্যালসিয়াম নির্ধারণ করতে পারবে।

আমি চিকিৎসক না। আবারও বলছি, আমি চিকিৎসক না। তাই আমি আপনার জন্য সঠিক ক্যালসিয়ামের মাত্রা নির্ধারনও করতে পারবো না। আমি শুধু মাত্র বিভিন্ন রিসোর্স থেকে আপনাকে একটু ধারনা দেয়ার চেষ্টা করলাম।

শেষ কথাঃ

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আমরা এতোক্ষন যে সকল খাবার নিয়ে আলোচনা করলাম। ঐ সকল খাবারগুলি দৈহিক ক্যালসিয়ামের অভাব পূরনে সাহায্য করতে পারে। তবে, আপনার একজন পুষ্টিবিদ চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা উচিত। এবং তার পরামর্শে দিনের প্রয়োজনীয় সময়ে ক্যালসিয়ামের পরিমাণটি নির্ধারণ করা উচিৎ।

এই খাবারগুলি মুল্যবান প্রোটিন, ভিটামিন, ও অন্যান্য পুষ্টির উৎস হিসেবেও পরিচিত। এই খাদ্যগুলি আপনার শরীরে সুস্থ হাড় এবং দাঁত গঠন ও সংরক্ষণ করতে সাহয্য করে।

One Comment on “ক্যালসিয়ামের উপকারিতা – amazing ক্যালসিয়া সমৃদ্ধ খাবার কি কি attractive2024”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *